সোনালি আঁশ
আলোর তোরণের পাশে সোনালি আঁশ পায় আপনার শিশু। ওপারে বন্ধু ড্রাগনের রাজ্য।
ছোট ডানার ড্রাগনের সঙ্গে সূর্যের চিহ্ন ধরে মিনারের আলো ফেরানোর গল্প।
সাধারণ লেখায় ১৬টি পৃষ্ঠার গল্প পড়ুন। তৈরি বইয়ে আপনার শিশুর নাম, বয়স, লিঙ্গ ও ছবি ব্যবহার হবে।
শুধু পড়ার প্রিভিউ — কপি করা বন্ধ রাখা হয়েছে।
আলোর তোরণের পাশে সোনালি আঁশ পায় আপনার শিশু। ওপারে বন্ধু ড্রাগনের রাজ্য।
ফটকে অপেক্ষা করে এম্বার ড্রাগন। ছোট ডানা। চোখে অনেক কৌতূহল।
সূর্যস্ফটিকের আলো কমে গেছে। সূর্যের চিহ্ন ধরে মিনারে যেতে চায় দুই বন্ধু।
বড় ড্রাগন উড়লে মাথা নামায় এম্বার। “নিজের পথ পাব,” বলে হাঁটার পথ বেছে নেয় আপনার শিশু।
নিচু পাথরে সূর্যের চিহ্ন দেখে এম্বার। উড়ন্ত ড্রাগনের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল এটি।
আলাদা চিহ্নের তিন ফটক। পাথরের সঙ্গে সূর্যের ফটক মেলায় আপনার শিশু।
বাজতে থাকা পাতার বাগান পেরোয় তারা। ওপরের জানালায় টোকা শোনা যায়।
ভেতরে ছায়ায় স্ফটিক। বাতাসে জানালার পাল্লা বন্ধ দেখছে আপনার শিশু।
শব্দ ধরে ঢিলে আটকানি বোঝে এম্বার। না উঠে রক্ষককে ডাকে বন্ধুরা।
মই দেখে পাল্লা ঠিক করে বড় ড্রাগন। নিচের খোলা জায়গায় অপেক্ষা করে দুই বন্ধু।
পাল্লা খুললে রোদ পড়ে স্ফটিকে। সোনালি আলো ছড়ায় মিনারে।
ছোট সূর্যবাতি জ্বলে উপত্যকায়। ঘরে আলো পৌঁছালে তাকায় ড্রাগনরা।
শব্দ খুঁজে দেওয়ায় এম্বারকে ধন্যবাদ দেয় রক্ষক। ছোট ডানা মানে কম মূল্য নয়, বলে আপনার শিশু।
বাগানে গান আর আলোর ফিতায় উৎসব। গর্বে আপনার শিশু-এর পাশে হাঁটে এম্বার।
সোনালি আঁশ দেয় এম্বার। “তুমি আমার পথের জায়গা দিয়েছ,” বলে সে।
তোরণ পেরিয়ে ফেরে আপনার শিশু। একই ডানা না থাকলেও বন্ধুত্ব হয়, মনে করায় সোনালি আঁশ।