স্বপ্নের ক্লিনিক
এক সুন্দর গল্পে কথা বলা প্রাণীদের ক্লিনিক খোলে আপনার শিশু। উজ্জ্বল দরজা। সব অতিথির জায়গা আছে।
কথা বলা প্রাণীর ক্লিনিকে হাতির জায়গা করা আর কাঠবিড়ালির বাড়িতে ছোট্ট ডাক্তার।
সাধারণ লেখায় ১৬টি পৃষ্ঠার গল্প পড়ুন। তৈরি বইয়ে আপনার শিশুর নাম, বয়স, লিঙ্গ ও ছবি ব্যবহার হবে।
শুধু পড়ার প্রিভিউ — কপি করা বন্ধ রাখা হয়েছে।
এক সুন্দর গল্পে কথা বলা প্রাণীদের ক্লিনিক খোলে আপনার শিশু। উজ্জ্বল দরজা। সব অতিথির জায়গা আছে।
সাদা কোট পরে টেবিল আর স্টেথোস্কোপ গুছায় আপনার শিশু। “আজ কে আসবে?” হাসিমুখে বলে প্রাণীদের ডাক্তার।
কানে অস্বস্তি নিয়ে আসে তুলতুল খরগোশ। মিষ্টি করে কথা শোনে আপনার শিশু। “এখন আর তেমন ভয় লাগছে না,” বলে তুলতুল।
খেলতে গিয়ে হাঁটুতে লাগে ছোট ভালুকের। তারাওয়ালা ব্যান্ডেজ দেয় আপনার শিশু। ছোট তারাগুলো দেখে খুশি হয় ভালুক।
গলা বসে গেছে মিনি বিড়ালের। আরাম করে বসায় আপনার শিশু। আবার গাওয়ার কথা ভাবে মিনি।
হাঁচি আর মন খারাপ নিয়ে আসে টুকটুক টিয়া। তার কথা শোনে আপনার শিশু। আরামের বসার জায়গা করে।
বাইরে ভারী পায়ের শব্দ। ছোট দরজায় ঢুকতে পারে না গুবলু হাতির ছানা। নতুন উপায় ভাবে আপনার শিশু।
বারান্দায় বড় মাদুর পাতে আপনার শিশু। গুবলুর শুঁড়ের ব্যথার কথা শোনে। “আমারও জায়গা হলো!” খুশি হয়ে বলে ছানা।
ছোট আঁচড় নিয়ে আসে ঝিলিক হরিণছানা। স্বপ্নের ক্লিনিকে যত্ন করে আপনার শিশু। ঝিলিকের মুখ উজ্জ্বল হয়।
খোলসে লুকিয়ে থাকে ধীরু কচ্ছপ। “আগে বোঝাব, তুমি প্রশ্ন করতে পারো,” নরম করে বলে আপনার শিশু।
ধীরে মাথা বের করে ধীরু। গল্পের পরীক্ষায় রাজি হয়। শেষে হেসে বলে, “আমি পেরেছি!”
অপেক্ষার ঘরে আরও প্রাণী আসে। নাম ধরে ডাকে আপনার শিশু। অপেক্ষায় পড়ার ছবির বই দেয়।
আসতে পারছে না অসুস্থ চিকু, জানায় কাঠবিড়ালি। গল্পের ব্যাগ নিয়ে ফুলের বাগান পেরোয় আপনার শিশু।
চিকুর ঘরে বসে কথা শোনে আপনার শিশু। “তুমি আমার জন্য এত দূর এসেছ!” কৃতজ্ঞ হয়ে বলে চিকু।
ফিরে দরজায় ফুলের মালা দেখে আপনার শিশু। প্রাণী বন্ধুরা ধন্যবাদের কার্ড বানিয়েছে।
গোছানো টেবিলে কার্ড রাখে আপনার শিশু। “কাল দেখা হবে, প্রিয় বন্ধুরা,” বলে গল্পের ছোট প্রাণী ডাক্তার।