আলোর দরজা
পুরোনো গাছের নিচে আলোর দরজা পায় আপনার শিশু। ওপারে এমন রাজ্য, যার লণ্ঠনের আলো নিভে গেছে।
ভালোবাসা, বন্ধুত্ব আর অনুভূতির জায়গা দিয়ে অন্ধকার রাজ্যে আলো ফেরানোর অভিযান।
সাধারণ লেখায় ১৬টি পৃষ্ঠার গল্প পড়ুন। তৈরি বইয়ে আপনার শিশুর নাম, বয়স, লিঙ্গ ও ছবি ব্যবহার হবে।
শুধু পড়ার প্রিভিউ — কপি করা বন্ধ রাখা হয়েছে।
পুরোনো গাছের নিচে আলোর দরজা পায় আপনার শিশু। ওপারে এমন রাজ্য, যার লণ্ঠনের আলো নিভে গেছে।
বাজার চুপচাপ। ঝরনাতেও শব্দ নেই। রুপালি ঘণ্টার টুংটাং ধরে চত্বরে যায় আপনার শিশু।
খালি লণ্ঠন দেখান জ্ঞানী রাজা। “যত্নের কাজে আলো জ্বলে। কোথা থেকে শুরু করব ভুলে গেছি।”
এক শিশুর ঝুড়ি থেকে আপেল পড়ে। তুলে দেয় আপনার শিশু। লণ্ঠনে ছোট আলো দেখা যায়।
বিক্রি না হওয়া রুটির পাশে একা বসে রুটিওয়ালা। তার কথা শুনে প্রতিবেশীদের ডাকে আপনার শিশু।
এক টেবিলে বসে সবাই। দ্বিতীয় আলো জ্বলে। তবু সবচেয়ে উঁচু লণ্ঠন অন্ধকার।
ভাঙা ঘুড়ি নিয়ে ঝগড়া দুই বন্ধুর। একজন বললে অন্যজন শুনবে, প্রস্তাব দেয় আপনার শিশু।
একসঙ্গে ঘুড়ির কাঠি বাঁধে, লেজ বানায় তারা। প্রাসাদের দেয়ালে সোনালি আলো ওঠে।
উৎসবের আগে মেঘে ঢাকে চত্বর। সবাই সরে যায়। আলো আবার নিভবে কি, ভাবে আপনার শিশু।
প্রাসাদের হলে সবার জায়গা দেখে আপনার শিশু। রাজার অনুমতিতে ভেতরে চলে উৎসব।
দূরের বন্ধুর জন্য মন খারাপ ছোট বাদকটির। হাসতে না বলে পাশে বসে আপনার শিশু।
“মন খারাপ হলেও তুমি আমাদেরই একজন,” বলে আপনার শিশু। সবচেয়ে উঁচু লণ্ঠনে উষ্ণ আলো জ্বলে।
আবার নাচে ঝরনার পানি। আলোয় ভরে রাজ্য। অতিথির জন্য আনন্দ করে সবাই।
মনে রাখার ছোট লণ্ঠন দেন রাজা। আলোয় সব সাহায্যকারীর মুখ দেখা যায়।
বিদায় জানিয়ে দরজা পেরোয় আপনার শিশু। সন্ধ্যার আলোয় পরিচিত গাছ অপেক্ষা করে।
বাড়িতে সঙ্গ চাওয়া একজনের পাশে বসে আপনার শিশু। ছোট লণ্ঠন যেন আরও উজ্জ্বল হয়।