স্কুলের ফটক
নতুন ব্যাগে জাদুর দুর্গ-স্কুলে আসে আপনার শিশু। ঘণ্টা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নড়ে না।
তিন আলোর ঘণ্টা খুঁজে জাদুর স্কুলের থেমে যাওয়া ঘড়ি চালুর অভিযান।
সাধারণ লেখায় ১৬টি পৃষ্ঠার গল্প পড়ুন। তৈরি বইয়ে আপনার শিশুর নাম, বয়স, লিঙ্গ ও ছবি ব্যবহার হবে।
শুধু পড়ার প্রিভিউ — কপি করা বন্ধ রাখা হয়েছে।
নতুন ব্যাগে জাদুর দুর্গ-স্কুলে আসে আপনার শিশু। ঘণ্টা বাজে। ঘড়ির কাঁটা নড়ে না।
সব ক্লাসের ঘড়িতে এক সময়। অদ্ভুত মন্ত্রের রহস্য খুঁজতে বলেন কুইল পেঁচা শিক্ষক।
সরে যাওয়া বুকমার্কের বই পায় আপনার শিশু। আগের লাইনের আগে পরেরটি পড়া হয়েছিল।
কাছে চর্চা করছিল বলে মীরা। দোষ না দিয়ে সত্যি বলায় ধন্যবাদ দেয় আপনার শিশু।
কুইলের সঙ্গে পুরো নির্দেশ পড়ে দল। আলোয় ভরা তিন ঘণ্টা ঠিক ক্রমে লাগবে।
পড়ার টেবিলের ওপরে নীল ঘণ্টা দেখে আপনার শিশু। প্রথম চিহ্নে মেলে তার সুর।
জাদুর সিঁড়ি দিক বদলায়। থেমে থাকে আপনার শিশু। ঠিক পথ দেখান কুইল।
চাঁদফুলের বাগানে রুপালি ঘণ্টা। মীরা নকশা পড়ে। বই দেখে আপনার শিশু।
শেষ ঘণ্টার সুর জানে রাফি। গাইতে লজ্জা। প্রথম সুর একসঙ্গে ধরতে বলে আপনার শিশু।
গুনগুনে খোলে গানের ঘরের আলমারি। ভেতরে শেষ সোনালি ঘণ্টা।
তিন ঘণ্টা নিয়ে ফেরে ক্লাস। সাজিয়ে আবার ক্রম পড়ে আপনার শিশু।
প্রথম চেষ্টায় কাগজের প্রজাপতি। ক্রম দেখে উল্টো দুই ঘণ্টা খুঁজে পায় আপনার শিশু।
নীল, রুপালি, সোনা—ক্রমে বাজায় দল। কেঁপে ওঠে বড় ঘড়ি।
টিকটিক! কাঁটা নড়ে। ক্লাসের ঘড়িও চলে। আনন্দে ভরে স্কুল।
ক্লাসকে সোনালি শেখার তারা দেন কুইল। মীরার সত্যি কথা আর সবার ভাবনা কাজে লেগেছে।
বইয়ে নতুন বুকমার্ক রাখে আপনার শিশু। কাল সব ধাপ পড়েই জাদু শুরু হবে।